jam

রামপুরা-বাড্ডা রুটে গণপরিবহন, প্রাইভেট কারের দীর্ঘ সারি প্রতিদিনের একটি দৃশ্য। দীর্ঘ সময়ের যানজট নিরসনে মধ্যবাড্ডা এলাকায় নির্মাণ করা হয়েছে ইউলুপ। হাতিরঝিল সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পের বাড্ডা প্রান্তের ইউ আকৃতির গাড়ি পারাপার সেতু (ইউলুপ) নির্মাণের কাজের জন্যই মূলত এই রুটের যানজট ছিল। তবে ভোগান্তির অবসান ঘটিয়ে আগামী মাসেই চালু হতে যাচ্ছে ইউলুপটি। বাড্ডার এই ইউলুপটি নির্মিত হলে যানবাহনগুলো প্রগতি সরণি হয়ে ইউলুপ দিয়ে বাঁক নিয়ে বনশ্রী, আফতাবনগর, রামপুরা বা মালিবাগ অভিমুখে সহজেই যাতায়াত করতে পারবে। পাশাপাশি বাড্ডা পয়েন্টে সৃষ্ট ব্যাপক যানজটেরও নিরসন হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। ২০১৫ সালের মাঝামাঝিতে শুরু হওয়া বাড্ডা ইউলুপটির কাজের মেয়াদ বাড়িয়ে বর্তমানে সব কাজ প্রায় শেষের দিকে। বাকি থাকা কাজগুলো শেষ করে আগামী মাসে চালু হবে ইউলুপটি। রামপুরায় প্রথম ইউলুপটি নির্মাণের পর যানজট নিরসনে যেমনি সাফল্য পাওয়া গেছে তেমনি দৈর্ঘ্য ৪৫০ ও প্রস্থ ১০ মিটারের নকশা অনুযায়ী বাড্ডা ইউলুপটি চালু হলে এই এলাকার যানজট নিরসন হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। ইউলুপটি যানচলাচলের জন্য চালু হওয়ার বিষয়ে হাতিরঝিল উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (রাজউক) জামাল আক্তার ভূঁইয়া বলেন, ইউলুপ নির্মাণের সব কাজ প্রায় শেষ। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী মাসে ইউলুপটি চালু হবে। ইউলুপের কাজ নির্মাণ কাজ শেষে এখন শুধু ফিনিশিংয়ের কাজ চলছে। তবে এখনও ফাইনাল তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।

ইউলুপ নির্মাণ কাজের কারণে প্রতিদিনের সৃষ্টি হওয়া যানজটে এই পথে চলাচলকারীদের পোহাতে হয় ব্যাপক ভোগান্তি। নির্মাণকাজের জন্য দুই লেনের গাড়িগুলোকে সরু পথে চলাচল করতে হয়েছে এতদিন। এ বিষয়ে চলাচলকারী বেসরকারি চাকরিজীবী মেহেদী হাসান বলেন, প্রতিদিন অফিস যেতে হয় এই পথ দিয়ে, ইউলুপ নির্মাণের জন্য এতদিন সড়কে তীব্র যানজট হত। ফলে যানজটে আটকে থাকতে হত দীর্ঘ সময়। তবে ভোগান্তির অবসান ঘটিয়ে ইউলুপটি চালু হলে যাতায়াতে স্বাচ্ছন্দ আসবে আশা করা যায়। এই রুটের সুপ্রভাত বাস চালক লিয়াকত আলী। বলেন, ইউলুপ নির্মাণের কারণে যান চলাচলের রাস্তা সরু থাকায় প্রতিদিন যাত্রী-গাড়িসহ যানজটে পড়ে থাকতে হত। এখন দেখে মনে হচ্ছে ইউলুপ নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ। চালু হলে হয়তোবা আর যানজট হবে না। ইউলুপটি নির্মাণ কাজ শেষ হতে বেশি সময় লাগার কারণ হিসেবে হাতিরঝিল উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (রাজউক) জামাল আক্তার ভূঁইয়া এর আগে বলেছিলেন, ইউলুপের মূল সড়কের ভূগর্ভস্থ অংশে ডেসকো, বিটিসিএল, তিতাস, ওয়াসাসহ বেশ কিছু পরিষেবা সংস্থার তারের ও অন্যান্য কাজ ছিল, সেগুলোর কাজ শেষ হতে বেশ সময় লেগেছে। এ কারণে একটু বেশিই সময় লেগেছে।