faruk khan

উড়ে এসে জুড়ে বসা নেতা নন ফারুক খান। তিনি কাশিয়ানী- মুকসুদপুরবাসীর আস্থা, ভালোবাসা ও নির্ভরতার প্রতীক। মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ, এলাকাবাসীর সাথে নিবিড় যোগাযোগ এবং ব্যাপক উন্নয়নের কারনে এলাকাবাসীর মন জয় করে রেখেছেন সেই ১৯৮৮ সাল থেকে।
নিচের বিষয়গুলো আমার ভাবনায় বার বার আসে। আপনিও ভাবুন
১) মনোনয়ন পাবে তা নির্ধারণ করবে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন বোর্ড। আর ফারুক খান সেই বোর্ডের সদস্য।
২) জনাব ফারুক খান আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার। এমন কি কারণ থাকতে পারে প্রেসিডিয়াম মেম্বারকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে নমিনেশন দিবেন জননেত্রী শেখ হাসিনা।
৩) মুকসুদপুর কাশিয়ানীর উন্নয়নে ফারুক খানের থেকে বেশি কাজ করেছে এমন কাউকে খুজে পাওয়া যাবে না। নিশ্চয় জনগনের উন্নয়নে কাজ কম করে জননেত্রী শেখ হাসিনার গুডবুকে নাম লেখানোর সুযোগ নাই।
৪)ব্যক্তি ফারুক খান সজ্জন এবং দুর্ণীতির অভিযোগমুক্ত পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ, তার বিকল্প খুজতে দলের কোন প্রয়োজন আছে বলে আমার মনে হয় না।
৫) জনগনের সুখে-দুখে মাঠে-ময়দানে থাকে এমন কোন নেতা মাইক্রোস্কোপেও খুজে পাওয়া যায়না। মাঝেমধ্যে ফেসবুকে পোস্ট আর ছবি দিয়ে আর যাই হোক ফারুক খানের বিকল্প হওয়া যায় এটা নির্বোধরাই ভাবতে পারে।

মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক ও খান্দারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাব্বির খান এর ফেসবুকওয়াল থেকে নেয়া।