মে’২০১৮ মাসে বিদ্যুৎ বিল পেয়ে চমকে উঠেছেন মুকসুদপুর সদর বাজারের এক গ্রাহক। গ্রাহক অভিযোগ করেছেন, কোথাও গিয়ে সে এই অস্বাভাবিক বিলের কোনো যৌক্তিক কারণ জানতে পারেননি। সংশ্লিষ্ট বিতরণকারী সংস্থার কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ করে কোনো সদুত্তর বা প্রতিকারও পাচ্ছেন না।
মুকসুদপুর সদর বাজারে ঈদগাহ মার্কেটের একটি দোকান আঃ হক কাজী মন্টুর নামে বরাদ্দকৃত ঘরে ব্যবসা করেন সোহেল মিয়া। উক্ত দোকানের বিদ্যুৎ হিসাব নং-১৪০-১৩৭২। ভাড়াটিয়া সোহেল জানান,দীর্ঘ দিন যাবৎ তার বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৭০০ টাকা থেকে সর্বেচ্চ ৮৫০টাকা। কিন্তু গত মে’২০১৮ মাসের বিল আসে ৩৬৬৯টাকা। বিলের পরিমান বেশী দেখে হতচকিত হয়ে যায় সে। কয়েকদিন পরে বিদ্যুৎ অফিস থেকে তিনজন কর্মচারী বিলের টাকা নিতে আসলে বিষয়টি তাদের জানালে তারা মিটার রিডিং মিলিয়ে দেখেন রিডিং এর সঙ্গে বিলের কোন মিল নেই। এ সময় সেখানে পল্লী বিদ্যুতের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান আসলে তাকে বিষয়টি অবগত করলে এই অনিয়মের কোন সদুত্তর না দিয়ে বিল পরিশোধ করতে বলেন এবং এক পর্যায়ে সোহেলের সঙ্গে অসৌজন্য মুলক আচরণ করলে বাধ্য হয়ে সোহেল বিলের টাকা পরিশোধ করে, যা জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান নিজেই গ্রহন করে রশিদ দেন বলে জানায় সোহেল। গত ০১-৭-২০১৮ তারিখে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় মিটারের বর্তমান রিডিং রয়েছে ৫৭৯৯। অথচ গত ১২-৫-২০১৮ তারিখে ৫৯৪৫ মিটার রিডিং লিখে ৩২০ ইউনিটের বিল করা হয়েছে। এর আগের মাসে ১২-৪-২০১৮ তারিখে রিডিং দেখানো হয়েছে ৫৮২৫। বিষয়টি মুকসুদপুরের পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম কে অবহিত করেও কোন প্রতিকার পায়নি বলে জানায় ভূক্তভোগী সোহেল মিয়া। মিটার না দেখে যারা এমন ভূতুড়ে বিল বানিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এবং পরিশোধিত অতিরিক্ত টাকা যাতে ফেরৎ পাওয়া যায় সে বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে আবেদন জানিয়েছেন সোহেল মিয়া। এ বিষয়ে গত রবিবার বেলা ১-২৫ মিনিটে ডিজিএম’এর মোবাইলে কথা বলতে বার বার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।