ec

সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার আগেই প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন মেয়র এবং কাউন্সিলর পদপ্রার্থীরা। তবে এখনো প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। বরাদ্দ পেলে এ প্রচারণা আরো জোরেশোরে চলবে বলে দুই প্রার্থী সমর্থকরা জানান।

আগামী ১০ জুলাই সিলেটে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে প্রার্থীদের। গত ১৩ জুন সিলেট সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এরপরই সম্ভাব্য প্রার্থীরা জোরেশোরে নামেন মাঠে। আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থীরা ওই সময় থেকেই নগরীতে গণসংযোগ শুরু করেন।

২২ জুন আওয়ামী লীগ মেয়র প্রার্থী হিসেবে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদরউদ্দিন আহমদ কামরানকে মনোনয়ন দেয়। ২৭ জুন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও সদ্য সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী দলীয় মনোনয়ন পান। সিলেট মহানগর জামায়াতের আমির এহসানুল মাহবুব জুবায়ের দলীয় সমর্থনে স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচন করছেন। এ ছাড়া বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিমসহ আরও পাঁচ মেয়র প্রার্থী নির্বাচনে লড়ছেন।

গত ২৮ জুন নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্র জমা দেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মেয়র প্রার্থীরা। সেদিন দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে রীতিমতো শোডাউন করে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে যান তারা। আওয়ামী লীগের প্রতীক নৌকা ও বিএনপির প্রতীক ধানের শীষ নিশ্চিত থাকায় এ দুই দলের মেয়র প্রার্থীরা প্রতীকের পক্ষেই ভোট চাইছেন নগরবাসীর কাছে। তারা প্রতিদিনই নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ছুটে যাচ্ছেন। ‘কুশল বিনিময়ের’ আড়ালে তারা নিজ নিজ প্রতীকের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করছেন। এমনকি কেউ কেউ মতবিনিময়, পুনর্মিলনী সভার আড়ালে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। কাউন্সিলর প্রার্থীরাও আছেন মাঠে। তারা প্রতীক না পেলেও নিজ নিজ ওয়ার্ডের ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।

এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও প্রচারণায় ব্যস্ত প্রার্থীরা। অবশ্য প্রার্থীদের কেউই নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি স্বীকার করছেন না। আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী বদরউদ্দিন আহমদ কামরান বলেন, ‘আগে যেভাবে নগরবাসীর খোঁজখবর নিতাম, এখনো সেভাবেই নিচ্ছি।