fahim

দেশের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক সংগঠন দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)-এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট, শেখ ফজলে ফাহিম, চীনে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিভিন্ন ফোরামে অংশগ্রহন করে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিনিয়োগ সুবিধাসমূহ তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, স্বল্পন্নোত দেশ থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে হিসেবে উত্তোরণ, বিশ্বমানের শিল্পায়ন ইকো সিস্টেম এ বাংলাদেশের বিনিয়োগ, জনসংখ্যাগত সুবিধা, মানবসম্পদের স্বল্পমুজুরী সুবিধা, ভৌগলিক অবস্থান, অস্ত্রব্যতিত সকল পণ্যের (ইবিএ) বিভিন্ন দেশে শুল্কমুক্ত ও কটামুক্ত প্রবেশাধিকার, ২০২৭ সাল পর্যন্ত স্বল্পন্নোত দেশের সুবিধা, উদার বিনিয়োগনীতি ও অন্যান্য তুলনামূলক সুবিধা যা বাংলাদেশকে বিনিয়োগের জন্য উপযুক্ত গন্তব্য হিসেবে চিহ্নিত করেছে, সেসাথে যৌথ বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও নলেজ ট্রান্সফার এর মাধ্যমে বিশ্বব্যাপি গ্লোবাল ভেলু চেইন (জিভিসি) এর সাথে সম্পৃক্ততা বাংলাদেশকে অসীম সম্ভাবনার গন্তব্যে পরিনত করেছে।

অন্যদিকে, ২০১৭ সালে স্বল্পন্নোত দেশ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিকতা প্রদর্শন করে মিয়ানমার থেকে বিতারিত রোহিঙ্গা মুসলমানদের বাংলাদেশে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছেন এবং বর্তমানে প্রায় ১.১ মিলিয়ন রোহিঙ্গা মুসলমান বাংলাদেশে অবস্থান করছে। মায়ানমার সরকার কর্তৃক সংগঠিত এই মানবিক বিপর্যয়ে রোহিঙ্গা জাতির পাশে দাড়িঁয়ে ১২০টি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ব্যাপকভাবে সহায়তা প্রদান করছে। বিষয়টিকে একটি সামাজিক-অর্থনেতিক ও মানবিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী সঠিকভাবে তুলে ধরেছে যা বিশ্ব নেতৃত্ব পর্যায়ে বাংলাদেশের অবস্থানকে উচ্চতর মর্যাদায় নিয়ে গেছে।

সম্প্রতি, বাংলাদেশ এবং প্রতিবেশী দেশ মায়ানমার রোহিঙ্গাদের মানবিক পুনর্বাসনের লক্ষ্যে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে, যদিও অগ্রগতি সীমিত। এফবিসিসিআই বাংলাদেশের বেসরকারিখাতের পক্ষ হতে সার্ক ও বিসিআইএম ভুক্ত দেশসমূহের বেসরকারিখাতের সমর্থন চেয়েছে, যাতে তারা প্রযোয্য ক্ষেত্রে এডভোকেসি করে বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যকার চুক্তি বাস্তবায়ন সহায়তা করতে পারে।