cuper

আজ যিনি নায়ক, কাল তিনিই খলনায়ক। এটাই যেন প্রকৃতির নিয়ম। হেক্টর কুপারের দক্ষ কোচিংয়েই ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে মিসর। বেশিদিন গেল না। দলকে গ্রুপর্বের গন্ডি পার করাতে না পারায় দায়িত্ব ছাড়লেন ৬২ বছর বয়সী এই আর্জেন্টাইন কোচ।

বুক ভরা আশা নিয়ে বিশ্বকাপে পা রেখেছিল মিসর। মোহামেদ সালাহর দুর্দান্ত ফর্মকে পুঁজি করে দ্বিতীয় রাউন্ডে যাওয়ার স্বপ্নও ছিল তাদের। তবে গ্রুপপর্বে একটি ম্যাচও জিততে পারেনি ফারাওরা। প্রথম ম্যাচে উরুগুয়ের বিপক্ষে ১-০ গোলের হার দিয়ে শুরু। পরের দুই ম্যাচে রাশিয়ার কাছে ৩-১ আর সৌদি আরবের কাছেও ২-১ ব্যবধানে হেরে যায় সালাহর দল।

তিন ম্যাচের সব কটি হেরে ‘এ’ গ্রুপে তলানিতে থেকে শেষ করেছে মিসর। সবার আগে তারাই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে। দলের এমন ব্যর্থতায় নিজে থেকেই দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন কুপার।

তিন বছর আগে ২০১৫ সালের মার্চে মিসর দলের দায়িত্ব হাতে নিয়েছিলেন কুপার। প্রাথমিকভাবে মিসর ফুটবল ফেডারেশনের (ইএফএ) সঙ্গে বিশ্বকাপ পর্যন্তই ছিল তার সঙ্গে চুক্তি। তবে দলকে বিশ্বকাপে তুলে দেয়ায় ইএফএ চুক্তি বাড়ানোর কথাও ভাবছিল। সেই সিদ্ধান্ত থেকে সম্ভবত তারা সরে এসেছে সৌদি আরবের কাছে হারের পর।

এই ম্যাচে হারের পর কুপার জানিয়েছিলেন, ইএফএ’র সঙ্গে মিটিংয়ের পর তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন। পরে ইএফএ এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘রাশিয়া থেকে ফেরার পর আমরা একটি মিটিংয়ে বসেছিলাম। পুরো বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে কুপার এবং তার টেকনিক্যাল স্টাফদের ধন্যবাদ জানানোর। কোচ হিসেবে তিনি যা করেছেন, আমরা তার তারিফ করছি। তিন বছর পর আফ্রিকা কাপ অফ নেশন্সের ফাইনাল এবং ২৮ বছর বিরতির পর তার অধীনেই বিশ্বকাপে খেলেছে দল।’