garments

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলো উন্নত করে গড়ে তোলা হয়েছে। বিল্ডিং ও ফায়ার সেপটি নিশ্চিত করা হয়েছে। উন্নত ও কর্মবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে করে শিল্পমালিকরা বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করেছেন কিন্তু তৈরি পোশাকের মূল্য বৃদ্ধি করা হচ্ছে না। বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের মূল্য বৃদ্ধি করা একান্ত প্রয়োজন।

সোমবার (২৫ জুন) বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে সাসটেইনিবিলিটি কম্প্যাক্টের ৪র্থ পর্যালোচনা সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতা প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, ইউরোপিয়ন ইউনিয়ন, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক অংশীদার। বিশেষ করে ইউরোপিয়ন ইউনিয়ন এভ্রিথিংস বাট আর্মসের (ইবিএ) আওতায় বাংলাদেশকে জিএসপি সুবিধা প্রদান করে যাচ্ছে। এতে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে বেশ উপকৃত হচ্ছে। এ জন্য বাংলাদেশ তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। এ বাণিজ্য সুবিধার ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে, তৈরি পোশাক খাতের উন্নতি হচ্ছে, বাংলাদেশের শ্রমিকরা উপকৃত হচ্ছে। বাংলাদেশ আশা করছে আগামীতে এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, সরকার বাংলাদেশের শ্রম আইন সংশোধন করেছে। শ্রমিকরা এখন যেকোনো সময়ের তুলনায় অধিক শ্রম অধিকার ভোগ করছে। অপ্রত্যাশিত রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর বাংলাদেশে আর কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। শ্রমিক ও মালিকরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছে। ক্রেতারা বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি পোশাক আমদানি করবে বলে বাংলাদেশ আশা করে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ এলডিসি থেকে বেরিয়ে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে যাচ্ছে। বাংলাদেশ আশা করছে ২০২৭ সালের পর থেকে বাংলাদেশকে জিএসপি প্লাস সুবধিা প্রদান করা হবে। এ জন্য বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করেছে। আমাগামী দিনগুলোতে ক্রেতাগোষ্ঠী বাণিজ্য সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে বাংলাদেশ আশা করে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমার থেকে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা জীবন বাচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা একান্ত মানবিক কারণে বাংলাদেশে তাদের আশ্রয় প্রদান করেছে। প্রায় বারো লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপিয়ন ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত, অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রদূত, কানাডার রাষ্ট্রদূত, আইএলও প্রতিনিধি বক্তব্য রখেন।