4g

ফোরজির সফল ও সুফল ব্যবহার নিশ্চিতের পর এবার ফাইভজি পরীক্ষার কাজ শুরু করার প্রক্রিয়া হাতে নিতে যাচ্ছে সরকার। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এই অগ্রগতিকে দেখছেন তথ্য প্রযুক্তির বিপ্লব হিসেবে।

এ বিষয়ে জাগো নিউজের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইন্টারনেটের সাধারণ ব্যবহারের বাইরেও অভাবনীয় কিছু কাজে ব্যবহৃত হবে ফাইভজির গতি। প্রযুক্তি বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিতে সক্ষম হবে বলেও জানান তিনি।
আগামী মাসের (জুলাই) দ্বিতীয় সপ্তাহে এ সংক্রান্ত প্রাথমিক পরীক্ষামূলক কাজ সম্পন্ন হবে এবং পরিকল্পনা প্রণয়নে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে শিগগিরই। ফাইভজি সেবা পরীক্ষা শেষে এর দ্রুত বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাওয়া সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার বিশেষ উপাদান হিসেবে কাজ করবে।

এ বিষয়ে মোস্তাফা জব্বার বলেন, পরবর্তী প্রজন্মের এই ওয়্যারলেস প্রযুক্তি দৈনন্দিন জীবন যাত্রাকে অনেকখানিই পাল্টে দেবে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে গাড়ি চালানো, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, স্মার্ট সিটি ও নেটওয়ার্ক যুক্ত রোবট চালাতে ভূমিকা রাখবে ফাইভজি।

এছাড়া বাংলাদেশ এখন উন্নত বিশ্বের সঙ্গে সমানতালে চলছে। ফোরজির সফল প্রয়োগ ও ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পর ফাইভজির বিষয়ে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। চলতি বছরের জুলাইয়ের দ্বিতীয় সপ্তাহেই এই প্রযুক্তির পরীক্ষা চালানো হবে। খুব অল্প সময়ে আমরা ফাইভজি সেবা চালু করতে সক্ষম হবো।

এদিকে বিশ্বে আগামী প্রজন্মের ফাইভজি নেটওয়ার্কের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে চায়নার বেশ কয়েকটি কোম্পানি। পরীক্ষাটি চালানো হয় ইতালির টুরিন শহরে। ফ্রিকুয়েন্সির যথাযথ ব্যবহারের ফলে পরীক্ষাধীন নেটওয়ার্কটি ৩ গিগাবাইট পর্যন্ত স্পিড তুলতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা এ্যালেন স্মিথ।

তার মতে, প্রযুক্তির মাধ্যমে ফ্রিকুয়েন্সির প্রতি হার্জে এক সেকেন্ডে ৩০ বিট ডাটা স্থানান্তর করা যাবে। ফলে স্পেকট্রাম কম থাকলেও ডাটা স্পিড কমবে না।