kim-jong-trump

অবশেষে দ্বীপরাষ্ট্র সিঙ্গাপুরে আকাঙ্ক্ষিত ঐতিহাসিক বৈঠকে বসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। শুরুতে তার পরস্পর করদর্মন করেন।

স্বতন্ত্র ভেন্যু দ্বীপরাষ্ট্র সিঙ্গাপুরে আকাঙ্ক্ষিত এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় (বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টা) সিঙ্গাপুরের সান্তোসা দ্বীপের ক্যাপেলা হোটেলে বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই প্রথম কোনো ক্ষমতাসীন মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার নেতাদের বৈঠক।

ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ক্যামেরার শোরগোলের মধ্যে কথা শোনা প্রায় অসম্ভব ছিল। কিন্তু ট্রাম্পকে বলতে দেখা গেছে, এর আগে যে সমস্যার সুরাহা অসম্ভব ছিল, সেটারই সমাধান করতে যাচ্ছি। আমরা সফল হব, এটার সুরাহা হবে।

দেড় ঘণ্টার এই বৈঠকে কক্ষের ভেতরে ট্রাম্পের সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও, জন বোল্টন ও জন কেলিকে দেখা গেছে।

দুই পক্ষই পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ ও সম্ভাব্য শান্তি ফিরিয়ে আনা নিয়ে আলোচনা করবেন বলে মনে করা হচ্ছে। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অর্থনৈতিক নিশ্চয়তা ও অবরোধ প্রত্যাহার চায় উত্তর কোরিয়া।

বৈঠকের আগে সোমবার দুদেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে প্রাথমিক আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে। একইদিন সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি শিয়েন লুংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন ট্রাম্প।-খবর বিবিসি, নিউ ইয়র্ক টাইমস ও এএফপির।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পিয়ংইয়ং ‘নতুন একটি সম্পর্ক স্থাপন’ করতে পারে, এমন একটি সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। ট্রাম্পের সঙ্গে কিমের ঐতিহাসিক বৈঠকের একদিন আগে এমন মনোভাব জানাল উত্তর কোরিয়া।

বিবিসি বলছে, এই মন্তব্যে কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি উত্তর কোরিয়ার বিদ্বেষমূলক মনোভাব পোষণ করার পর সুর পাল্টানোর লক্ষণ প্রকাশ পেয়েছে।

রোববার দুদেশের নেতা সিঙ্গাপুরে পৌঁছান। উঠেছেন আলাদা হোটেলে। সিঙ্গাপুরের বিলাসবহুল পাঁচ তারকা সেইন্ট রেজিস হোটেলে উঠেছেন কিম। আর পাঁচ তারকা ডুলেক্স সাংগ্রি-লা হোটেলে থাকছেন ট্রাম্প।

দুই হোটেলের মধ্যে দূরত্ব ৭৫০ মিটার। মঙ্গলবার বৈঠক শেষে রাতেই যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ট্রাম্প রওনা হবেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।