vladimir-putin

রাশিয়ার প্রখ্যাত সাংবাদিক ও পুতিনের কঠোর সমালোচক আরকেডি বাবচেঙ্কোকে (৪১) গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ইউক্রেনে মারা গেছেন। বাসার প্রবেশমুখে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে পড়ে থাকতে দেখেন তার স্ত্রী। পরে হাসপাতালে নেয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সেই তার মৃত্যু হয়। ইউক্রেন পুলিশের মুখপাত্র ইয়োরোস্লাভ ট্রাকালো আরকেডি বাবচেঙ্কোর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে রাশিয়ার একটি বিমান বিধ্বস্তের বিষয়ে প্রতিবেদন করায় তাকে মৃত্যুর হুমকি দেয়া হয়েছিল। এরপর তিনি দেশত্যাগ করেন। প্রথমে তিনি প্রেগ এবং সর্বশেষ ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে বসবাস করছিলেন। তিনি ক্রেমলিনের একজন স্পষ্টভাষী সমালোচক ছিলেন।
কর্মজীবনে তিনি যুদ্ধ বিষয়ক প্রতিবেদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ তিনি ইউক্রেনের চ্যানেল এটিআর টিভিতে উপস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

কিয়েভ পুলিশের প্রধান আন্দ্রিই ক্রিশচেঙ্কো স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানান, তিনি তার পেশাগত কারণে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়ে থাকতে পারেন। বাবচেঙ্কোর মৃত্যুর বিষয়ে তদন্ত চলছে। প্রখ্যাত এই সাংবাদিককে পেছন থেকে কয়েক দফা গুলি করা হয়েছে।

সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চেচেন যুদ্ধের সাবেক সৈনিক বাবচেঙ্কো এক সময় যুদ্ধ বিষয়ক প্রতিবেদক হিসেবে দারুণ খ্যাতি অর্জন করেন। তবে ইউক্রেন ও সিরিয়ার যুদ্ধ নিয়ে রাশিয়ার সমালোচনা করায় তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়। তাই জীবন বাঁচাতে জন্মভূমি ত্যাগ করেন তিনি।

আরকেডি বাবচেঙ্কো বরাবরই ইউক্রেন বিষয়ে রাশিয়ার আগ্রাসী নীতির কঠোর সমালোচনা করে আসছিলেন। রাশিয়া সিরিয়ার আলেপ্পোতে বিমান হামলা চালালে তিনি সামাজিক মাধ্যমে এর তীব্র সমােলোচনা করেন। এসবের কারণে তিনি সরকার সমর্থিত রাজনীতিবিদদের নিন্দার পাত্র ছিলেন।