khejur

খেজুর! আমাদের কাছে এর কদর কেবল রোজার মাস এলেই। রোজার মাস শেষ তো ভুলে যাই এর কথা।

কিন্তু খেজুর এমন একটি খাবার, যার গুণের কথা বলে শেষ করা যাবে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন অন্তত দু’টি খেজুর খাওয়া উচিত।

জেনে নেই খেজুরের উপকারিতা:

১. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, হজম প্রক্রিয়া সহজ করে।
২. উল্লেখযোগ্যভাবে মানুষের এনার্জি বাড়িয়ে দেয়।
৩. অন্ত্রের রোগ, পেটে ক্যান্সার, হৃদরোগ, রক্তসল্পতা, যৌন সংক্রমণ, ডায়রিয়া ইত্যাদি রোধ করতে সহায়ক।
৪. শরীরের গঠণ অনুযায়ী ওজন লাভের জন্যও সাহায্য করে।
৫. পেশীশক্তি বিকাশের জন্য সবচেয়ে উপকারি উপাদান রয়েছে এর মধ্যে।
৬. বয়স্ক এবং শিশুদের জন্যও খুব উপকারি
৭. বিশেষ করে আঘাত বা দূর্বলতা কাটিয়ে উঠতে এর কোন জুড়ি নেই।
৮. ঘনঘন ক্ষুধা লাগাকেও নিয়ন্ত্রণ করতে কার্যকর খাবার খেজুর।

পুষ্টি গুনাগুণ:

আকারে ছোট হলেও এই খাবারটি ভিটামিন, খনিজ পদার্থ, এবং ফাইবারে সমৃদ্ধ। সুস্বাদু এই ফলে তেল, ক্যালসিয়াম, সালফার, লোহা, পটাসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাঙ্গানিজ, তামা ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্বাস্থ্য পেতে হলে প্রতিদিন অন্তত একটি অথবা দু’টি খেজুর খাওয়া প্রয়োজন।

আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি সুপারিশ করে দিনে অন্তত ২০-৩৫ গ্রাম খেজুর খাওয়ার জন্য।

তারা এটাও বলেন, প্রতিদিন যদি একটা করে খেজুর খাওয়া যায়, তবে সারাজীবনের জন্য চোখের স্বাস্থ্য উন্নত হবে। বিশেষ করে রাতের অন্ধত্বকে রোধ করতে বেশ কার্যকর এই খাবার।

সকাল, দুপুর এবং রাতের খাবারের মাঝে এতোদিন যারা চা-বিস্কুট, সিঙ্গারা, পুরি, সমুচা, কেক, চপ ইত্যাদি খেয়ে ইতিমধ্যেই শরীরের অনেক ক্ষতি করে ফেলেছেন। তাদের বলছি, ক্ষতিকর খাবারগুলো এক্ষুনি পরিহার করুণ। কারণ, যারা নিয়মিত অ্যাসিডিটির দাওয়াই নিচ্ছেন, একটি খেজুর খেলে ভুলে যেতে হবে সেসব ঔষধের কথা। আর খেজুরের অন্যান্য উপকারীতার কথাতো আগেই বলেছি।

কাজেই অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাসগুলো পরিত্যাগ করে প্রতিদিন একটি অথবা দু‘টি খেজুর খাওয়ার অভ্যাস শুরু করুন। নিজে সুস্থ্য থাকুন এবং অন্যকেও খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে তাদের সুস্থ থাকতে উদ্বুদ্ধ করুন।