khulna-city-election-vote+counting

উত্তাপ ছড়ালেও মোটামুটি গোলযোগহীনভাবে ভোটগ্রহণের পর চলছে খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট গণনা। যে ১৯টি কেন্দ্রের ফল এসেছে তাতে এগিয়ে আছেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক।

মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণের পর কেন্দ্রে কেন্দ্রে শুরু হয় গণনা। ফল আসার পর তা ঘোষণা করছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউনুচ আলী।

২৮৯টি কেন্দ্রের মধ্যে তিনটি কেন্দ্রের ভোট অনিয়মের কারণে স্থগিত হয়েছে। বাকি ২৮৬টি কেন্দ্রের ফলের অপেক্ষা চলছে।

সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত ১৯টি কেন্দ্রের ফল ঘোষণা হয় সোনাডাঙ্গা এলাকার বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে স্থাপিত নির্বাচনী ফলাফল সংগ্রহ ও ঘোষণা কেন্দ্র থেকে।

তাতে দেখা যায়, মেয়র পদে নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক পেয়েছেন ৯ হাজার ৫৬৬ ভোট। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু ৬ হাজার ৭৭ ভোট পেয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকে।

অর্থাৎ ১৯ কেন্দ্রের ফলাফলে খালেক এগিয়ে রয়েছেন ৩ হাজার ৪৮৯ ভোটে।

দুটি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট হওয়ায় ওই দুই কেন্দ্রের ফল সবার আগেই চলে আসে।

বিএনপি অভিযোগ করেছে, তাদের এজেন্টদের বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। সমর্থকদের ভয়ভীতি দেখানোর পাশাপাশি মারধরও করা হয়েছে।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগ বলেছে, পরাজয় অবশ্যম্ভাবী জেনে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই বিএনপি ‘মিথ্যা অভিযোগ’ করছে।

ভোটের সার্বিক পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনার শাহাদাত হোসেন চৌধুরী বলেছেন, “দুয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া সুষ্ঠুভাবেই ভোট হয়েছে।”

ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, “চমৎকার ও সুন্দর এবং উৎসবমুখর পরিবেশে খুলনায় নির্বাচন হয়েছে।”

খুলনায় মেয়রের পাশাপাশি ৩১টি সাধারণ ওয়ার্ড এবং ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচনে ভোটার ছিল ৪ লাখ ৯৩ হাজার ভোটার। এর মধ্যে ৬০ ভাগ ভোট দিয়েছেন বলে ধারণা রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউনুচ আলীর।