mazid-

প্রথম দিন জোড়া সেঞ্চুরি করেছিলেন সাদমান ইসলাম এবং আব্দুল মজিদ। দ্বিতীয় দিন নিজের সেঞ্চুরিকে বাড়িয়ে দুইশো’তে নিয়ে যান আব্দুল মজিদ। আশা জাগিয়েও সেঞ্চুরি বঞ্চিত হন শুভাগত হোম, তবে রানপাহাড়ে চড়ে সেন্ট্রাল জোন। জবাবে কম যাননি ইস্ট জোনের লিটন দাস। দ্বিতীয় দিনে অপরাজিত সেঞ্চুরিতে নিজ দলকে ভালোভাবেই এগিয়ে নিচ্ছেন উইকেটরক্ষক এই ব্যাটসম্যান।

সাদমান-মজিদের জোড়া সেঞ্চুরিতে ম্যাচের প্রথম দিনে মাত্র ৪ উইকেটেই ৪০৬ রান করে ফেলে সেন্ট্রাল জোন। তবে দ্বিতীয় দিনে এর সাথে খুব বেশি রান যোগ করতে পারেনি। আব্দুল মজিদের প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি এবং শুভাগত হোমের হাফসেঞ্চুরির সুবাদে ৫৪৬ রানে অলআউট হয় তারা। জবাবে লিটন দাসের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে দিনশেষে ৩ উইকেটে ২৬৪ রান সংগ্রহ করেছে ইস্ট জোন।
আগের দিন ব্যক্তিগত ১৫৯ রান নিয়ে আহত অবসরে যান মজিদ। দ্বিতীয় দিন দলীয় ৪৪০ রানের মাথায় মোশাররফ রুবেল সাজঘরে ফিরলে পুনরায় উইকেটে আসেন তিনি। তবে তাকে একা রেখেই সাজঘরে ফিরে যান সেন্ট্রাল জোনের শেষ দুই স্বীকৃত ব্যাটসম্যান শুভাগত হোম এবং ইরফান শুক্কুর। আউট হওয়ার আগে ৭১ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন শুভাগত।

দলীয় ৪৫৪ রানের মাথায় সপ্তম উইকেটের পতন ঘটলে বোলারদের নিয়ে লড়াই শুরু করেন মজিদ। অষ্টম উইকেটে মোহাম্মদ শরীফকে সাথে নিয়ে গড়েন ৭৬ রানের জুটি। তুলে নেন প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় দ্বিশতক। দলীয় ৫৩০ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ২০৫ রানে সাজঘরে ফেরেন মজিদ। ২২টি চারের পাশাপাশি ৮টি বিশাল ছক্কার মারে সাজানো তার এই ইনিংস।

মজিদ ফিরে যাওয়ার পর আর বেশিক্ষণ লড়তে পারেনি সেন্ট্রাল জোন। মোহাম্মদ শরীফের ব্যাট থেকে ৩টি করে চার-ছক্কার মারে আসে ৪১ রান। ইস্ট জোনের পক্ষে সোহাগ গাজী নেন ৫ উইকেট। এছাড়া আবু জায়েদ রাহী এবং মোহাম্মদ সাইফুদ্দীন নেন ২টি করে উইকেট।

সেন্ট্রাল জোনের রানপাহাড়ের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ঠিক যুতসই করতে পারেনি ইস্ট জোন। দলীয় ৫৩ রানের মধ্যেই সাজঘরে ফেরেন মেহেদি মারুফ (১৩) এবং মুমিনুল হক (৬)। তৃতীয় উইকেটে ঘুরে দাঁড়ান লিটন দাস এবং তাসামুল হক। ১৪৮ রানের দুর্দান্ত জুটি গড়ার পথে লিটন তুলে নেন প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারের দ্বাদশ সেঞ্চুরি।

দলীয় ২০১ রানের মাথায় তাসামুলের বিদায়ে ভাঙে জুটি। সেঞ্চুরির আশা জাগিয়েও ৬৭ রান করে ফেরেন তিনি। তবে চতুর্থ উইকেটে আফিফ হোসেনকে সাথে নিয়ে দিনের বাকি সময় পার করে দেন লিটন। দিনশেষে ২৩টি চার এবং ১টি ছক্কার মারে ১৩৯ রানে অপরাজিত আছেন উইকেটরক্ষক এই ব্যাটসম্যান। আফিফের সংগ্রহ ৩১ রান, ৩ উইকেটে ২৬৪ রান নিয়ে দিন শেষ করে ইস্ট জোন।