prime
কর্পোরেট ঋণ বিতরণের পরিবর্তে ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতে (এসএমই) এবং ভোক্তা ঋণ বাড়াতে চায় প্রাইম ব্যাংক। ব্যাংকটির প্রতিষ্ঠার ২৩তম বছর উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ পরিকল্পনার কথা জানান ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাহেল আহমেদ এ তথ্য জানান। গতকাল সোমবার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

 

সংবাদ সম্মেলনে প্রাইম ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাবিবুর রহমান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. গোলাম রব্বানী, মো. তৌহিদুল আলম খান, সৈয়দ ফরিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতনরা উপস্থিত ছিলেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ১৯৯৫ সালের ১৭ এপ্রিলে ‘একটি ব্যতিক্রমধর্মী ব্যাংক’ স্লোগানে যাত্রা শুরু করে। ২০১৭ সাল শেষে ব্যাংকের আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৯০১ কোটি টাকা। বিনিয়োগ হয়েছে ১৯ হাজার ৮৩২ কোটি টাকা এবং মোট সম্পদের পরিমাণ ২৫ হাজার ৬৬০ কোটি টাকা। দেশজুড়ে ব্যাংকটির ১৪৬টি শাখা এবং ১৭০টি এটিএম বুথ রয়েছে। এছাড়াও সিঙ্গাপুরে ৩টি ও ইউকেতে ৩টি এক্সচেঞ্জ হাউজ এবং হংকং এ ১টি ট্রেড ফাইন্যান্স কোম্পানি রয়েছে।

 

দেশের ব্যাংকিং খাতে তারল্য সঙ্কট প্রসঙ্গে রাহেল আহমেদ বলেন, তারল্য সঙ্কট নেই। তবে  ব্যাংকিং সেক্টর বিপর্যয়ের মধ্যে আছে বলে আমি মনে করি না। তবে চ্যালেঞ্জ আছে। চড়াই-উত্রাই থাকবেই, একটু ধৈর্য ধরতে হবে, রাতারাতি পরিবর্তন আসবে না। কেন্দ্রীয় ব্যাংক চেষ্টা করছে, ছয় থেকে আট মাসের মধ্যে পরিস্থিতি ভাল হতে শুরু করবে।

 

এসএমই ও ভোক্তা ঋণ বাড়ানোর পরিমাণ জানতে চাইলে রাহেল আহেমদ বলেন, ২০১৭ সালে ব্যাংকের দেওয়া মোট ঋণের ২২-২৪ শতাংশ ছিল এসএমই ও ভোক্তা ঋণ, যা ২০২১ সাল নাগাদ ৪০ শতাংশ বা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

 

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দেশের প্রান্তিক অঞ্চলে এসএমই ও ভোক্তা ঋণের সুফল পৌঁছে দিতে ৮০টির বেশি শাখায় বিশেষজ্ঞরা কর্মরত আছেন।

 

বর্তমানে দেশের ব্যাংক খাতের ‘তারল্য সংকট’ সৃষ্টি হলেও প্রাইম ব্যাংকে এই সংকট নেই এমন মন্তব্য করে রাহেল আহমেদ বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংক যেদিন ঋণ-আমানত অনুপাত (এডিআর) সীমা বেসরকারি ব্যাংকগুলোর জন্য ৮৩ দশমিক ৫ শতাংশ বেঁধে দেয় সেদিনও আমাদের এডিআর এ সীমার নিচে ছিল, আজও আছে। আমরা এ সময়েও নতুন  গ্রাহকদের এক দেড়শ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিচ্ছি।