digi

প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২১, ২৫, ২৮ ও ৩৫ ধারা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ (ইইউ) পশ্চিমা ১০টি দেশ। দেশগুলোর রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধিরা আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সেগুলো সংশোধনেরও অনুরোধ জানিয়েছেন।

রোববার (২৫ মার্চ) সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতরা আইনমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন।

বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, রাষ্ট্রদূতরা ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের সেকশন ২১, ২৫, ২৮ ও ৩৫ ধারা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। এগুলো আমি শুনেছি। আমার বক্তব্যও দিয়েছি। তারা যেসব প্রস্তাব দিয়েছেন সেগুলো আমরা দেখবো, বিবেচনা করবো এবং কিছুদিন পর আবার আলোচনায় বসবো বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

রাষ্ট্রদূতরা মনে করেন, ওই ধারাগুলো মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী। এর আগে মন্ত্রিসভা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের খসড়া অনুমোদন করার পর দেশি-বিদেশি বেসরকারি বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ওই ধারাগুলোকে বিতর্কিত হিসেবে অভিহিত করে সেগুলো ছেঁটে ফেলার আহ্বান জানিয়েছিল।

এসময় জামার্ন রাষ্ট্রদূত ড. থমাস প্রিন্স বলেন, বাংলাদেশ সরকার যে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট এর খসড়া তৈরি করেছে, আমরা সেই আইনের কয়েকটি ধারা নিয়ে আমাদের মতামত প্রকাশ করেছি। মূলত মত প্রকাশের বহুমুখী স্বাধীনতায় আইনের অপব্যবহার, এই আইনে শাস্তি, জামিন অযোগ্যর বিষয়ে আমরা উদ্বিগ্ন।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কয়েকটি ধারা ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়নি বলে জানান আইনমন্ত্রী ও জার্মান রাষ্ট্রদূত।

বৈঠকে জার্মানির রাষ্ট্রদূত ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেন্সজে টিরিংক, সুইডেন রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধি চার্লোটা স্কেলটার, যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধি জুয়েল রিফম্যান, ডেনমার্ক রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধি মাইকেল হেমনিটি উইনথার, ফ্রান্স রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধি মারি অ্যানিক বুরডিন, কানাডিয়ান হাই-কমিশনারের প্রতিনিধি বিনোট প্রিফন্টেইন, যুক্তরাজ্য রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধি কানবার হোসেন বর, স্পেন রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধি অ্যালভেরো ডি সালাস জিমেঞ্জ ডি আজক্যারেট, নরওয়ে রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধি সিডসেল ব্লেকেন ও সুইজারল্যান্ড রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধি বেট কে এলসাএসার উপস্থিত ছিলেন।