nari

মানুষের জীবনে সবচেয়ে বড় বিষয় হল, তাদের নিজ নিজ ব্যক্তিত্ব। যার ব্যক্তিত্ব নেই, তার মাঝে মানবতার কোন গুণ নেই বলেই মান্য করা হয়। টাকা-পয়সা, ধন-সম্পদের চেয়ে বেশি বড় এই ব্যক্তিত্ব। তবে কিভাবে তা বজায় রাখতে হয়, আজ আমাদের তা নিয়েই আলোচনা-

১) শরীরের গন্ধ কখনো পারফিউম দিয়ে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করবেন না। তাই, কোথাও যাওয়ার আগে ভালো করে গোসল করে নিবেন। এটা নিজের জন্যও ভালো, অপরের জন্যও ভালো।

২) যে বিছানায় ছয়-সাত ঘন্টা ঘুমিয়ে পার করেন, সে বিছানায় কেন মাত্র দু মিনিটে পরিষ্কার করে ,গুছিয়ে রাখতে পারেন না।

৩) মানুষের রান্নাঘর আর বাথরুম দেখেই বুঝা যায় তারা কতটুকু পরিষ্কার।

৪) অপরিষ্কার দামী প্লেটে পোলাও , বিরিয়ানি খাওয়ার চেয়ে পরিষ্কার মাটির প্লেটে শাকভাত খাওয়া ভালো।

৫) ব্যুফেতে খাওয়া সবসময় এড়িয়ে চলবেন। এতে মানুষের খাওয়ার প্রতি শুধু লোভই বাড়েনা। বরং বিভিন্ন মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাস খাওয়ার ওপরে পরে। এমনকি অনেককে খাওয়ার ওপর হাঁচি দিতেও দেখা যায়।

৬) বুড়ো রিকসাওয়ালা দেখলে ওনার রিকসায় উঠবেন। কারণ ওনাকে সবাই এড়িয়ে চলে । ফলে বেচারার দিনের পর প্রত্যাশিত আয় হয়না। পারলে দশটা টাকা বেশি দিবেন।

৭) ভাত খাওয়ার পর কারো রান্নাঘরে কুলি করে পানি ফেলবেন না। এটা খুবই অরুচিকর। বাথরুমের বেসিনে গিয়ে হাত-মুখ পরিষ্কার করে আসবেন।

৮) যে হাত দিয়ে খাবারও খান, সে হাত দিয়ে গ্লাস, চামচ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না। এটা একটা কমনসেন্স এর ব্যাপার।

৯) একসাথে কয়েকজন মিলে একই বাটিতে যদি কোনো কিছু বিশেষ করে কাটা ফলের টুকরো খেতে হয় তবে যে টুকরো চামচে লাগাবেন সেই টুকরোই খাবেন। চামচ দিয়ে অযথা সব ফলের টুকরো নাড়া চাড়া করবেন না।

১০) কোনো লাইনে যদি শিশু, মহিলা আর বৃদ্ধ থাকে তবে সবার শেষে গিয়ে লাইনে দাঁড়াবেন। তোমার ক্ষুধার চেয়ে বরং ওদের ক্ষুধা মেটানো জরুরী। একজন মায়ের নিজের শিশুকে খাওয়ানো, নিজে খাওয়া সহ আরো নানা বিষয়ে তাকে খেয়াল রাখতে হয়। তাই, তাদের অগ্রাধিকার দিবেন।