health-

বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলো ফাঁকফোকর দিয়ে কাজ করছে। সেখানে চিকিৎসকের নামে কিছু সার্টিফিকেট তৈরি করা হচ্ছে। তাদেরকে বারবার সতর্ক করার পরও কোনো কাজ হচ্ছে না। পরে আমরা যখন ব্যবস্থা নেয়া শুরু করলাম তখন তদবির শুরু হয়ে গেল। এমন তদবির শুরু হলো অফিসে বসতে পারি না।

রোববার বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম—বিএইচআরএফ এবং বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন-বিএমএর যৌথ আয়োজনে ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রাজনৈতিক বিবেচনায় বেসরকারি মেডিকেল কলেজের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। নীতিমালা আছে সেই অনুসারে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে ফাঁকফোকর দিয়ে অনেক কাজ করছে তারা। তাদের (বেসরকারি মেডিকেল কলেজ) নিজস্ব ভবন নেই, লাইব্রেরি নেই, ল্যাবরেটরি নেই, মানসম্পন্ন শিক্ষক নেই। তারপরও শিক্ষার্থীদের ভর্তি করা হচ্ছে। কিন্তু মান সম্পন্ন শিক্ষা দেয়া হচ্ছে না। চিকিৎসকের নামে কিছু সার্টিফিকেট তৈরি করা হচ্ছে। মেডিকেল কলেজগুলো মানসম্পন্ন করা না গেলে, লেখাপড়ার উপযুক্ত সুবিধা ও পরিবেশ নিশ্চিত করা না গেলে খুবই খারাপ হবে। মানসম্পন্ন ডাক্তার তৈরি হবে না, মানুষ সঠিক চিকিৎসা পাবে না’।

তিনি আরও বলেন, ‘এভাবে চলতে দেয়া যায় না। তাই আমি দায়িত্ব নেয়ার পর বিভিন্ন উদ্যোগ নিলাম। তাদেরকে বারবার সতর্ক করলাম। কিন্তু কাজ হচ্ছে না। পরে আমরা যখন ব্যবস্থা নেয়া শুরু করলাম তখন তদবির শুরু হয়ে গেল। এমন তদবির শুরু হলো অফিসে বসতে পারি না’।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও বর্তমান সরকারের আমলে দেশের স্বাস্থ্য খাতে অনেক উন্নতি হয়েছে। সীমাবদ্ধতার সুযোগে কিছুটা অনিয়ম ও দুর্নীতিও যে হচ্ছে সেটাও অস্বীকার করা যাবে না।তবে নানা পদক্ষেপের মাধ্যমে পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেকাংশে ভাল হয়েছে।

মিট দ্য প্রেসে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হাবিবুর রহমান খান, বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, মহাসচিব ডা. এহতেশামুল হক চৌধুরী দুলাল, বিএইচআরএফ সভাপতি তৌফিক মারুফ, সাধারণ সম্পাদক নিখিল মানকিন প্রমুখ।