dse-bazar

বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তায় সদ্য সমাপ্ত সপ্তাহে (১১-১৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক বেড়েছিল ৮৪ পয়েন্ট। কিন্তু চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ডিএসই’র সার্বিক মূল্য সূচক কমেছে ৯৯.৪৩ পয়েন্ট। এসময় লেনদেন ৫০০ কোটি টাকার নিচে নেমে এসেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নিষ্ক্রিয়তায় সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে বড় ধাক্কা খেল পুঁজিবাজার। যার প্রভাব সপ্তাহের অন্যান্য কার্যদিবসগুলোতেও অব্যাহত থাকবে বলে মনে করছেন তারা।

এদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্য সূচক আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৪৮ পয়েন্ট কমেছে। এসময় সিএসইতে ৩০ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ডিএসই ও সিএসই’র বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, রোববার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও ফান্ডগুলোর মধ্যে দর কমেছে ৮০.৩৫ শতাংশ বা ২৭০টির। এসময় দর বেড়েছে ৪৯টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ১৭টি প্রতিষ্ঠানের। এসময় ডিএসইতে ১৩ কোটি ২৮ লাখ ৮৪ হাজার ৯টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

অব্যাহত বিক্রয় চাপে এদিন ডিএসই’র সার্বিক লেনদেন ৫০০ কোটি টাকার নিচে নেমে এসেছে। যদিও আগের কার্যদিবসে ডিএসইতে ৫০০ কোটি টাকার অধিক লেনদেন হয়েছে। রোববার ডিএসইতে ৪৪০ কোটি ২৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। এর আগে গত সপ্তাহের সর্বশেষ কার্যদিবসে (বৃহস্পতিবার) ডিএসইতে ৫১২ কোটি ১৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

দিনশেষে ডিএসই’র সার্বিক মূল্য সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৯৯.৪৩ পয়েন্ট। এসময় ডিএসই’র প্রধান সূচক ৫৯৫০.৭৫ পয়েন্টে স্থিতি পায়। এসময় শরীয়াহ্ ভিত্তিক কোম্পানিগুলোর মূল্য সূচক কমেছে ১০.৭৯ পয়েন্ট ও ডিএস-৩০ সূচক কমেছে ৩৭.৩৮ পয়েন্ট।

লেনদেন শেষে টার্নওভার তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে ফু-ওয়াং ফুড। কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ১৬ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। টার্নওভার তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ইউনিক হোটেল, কোম্পানিটির ১৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১২ কোটি ৮২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মধ্যে টার্নওভারের তৃতীয় অবস্থানে ছিল লংকাবাংলা ফাইন্যান্স।

টার্নওভার তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলো- গ্রামীণ ফোন, মুন্নু সিরামিক, ফু-ওয়াং সিরামিক, কেয়া কসমেটিকস ও আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ।

এদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া ২২৭টি কোম্পানির মধ্যে দর কমেছে ১৭৮টির, দর বেড়েছে ৩৭টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ১৪টি প্রতিষ্ঠানের। এসময় সিএসইতে ৩০ কোটি ৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।

দিনশেষে সিএসই’র প্রধান মূল্য সূচক সিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৪৮.৮০ পয়েন্ট কমে ১১ হাজার ১৪৮ পয়েন্টে স্থিতি পেয়েছে। এসময় সিএসইতে টার্নওভার তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে ইস্টার্ন ক্যাবলস।