file

খুলনা জেলার বটিয়াঘাটার দোয়ানিয়া খালে বাঁধ নির্মাণ কাজে স্থিতাদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেন।
পরিবেশবাদী বেসরকারি সংগঠন এইচআরপিবির পক্ষে জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের প্রথমিক শুনানি নিয়ে আদালত এই আদেশ দেন। আদালতে রিটকারী পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন মোতাহার হোসেন সাজু।

ওই খালে মাটি ভরাট করে বাঁধ নির্মাণ বন্ধে ব্যবস্থা নিতে বিবাদিদের ‘নিষ্ক্রিয়তা’ কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, খালে নির্মাণাধীন বাঁধ অপসারণে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং সিএস, আরএস অনুসারে খালটি সংরক্ষণের জন্য কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

পরিবেশ ও বন, পানি সম্পদ, স্থানীয় সরকার সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহারিচালক, পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট), খুলনার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বটিয়াঘাটা থানার ওসি ও উপজেলা ভূমি কর্মকর্তাকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

চার সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে হবে।
পরিবেশ আইন ও জলাধার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী খালের জায়গায় মাটি ভরাট বা বাঁধ নির্মাণের কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু দোয়ানিয়া খালে আড়াআড়িভাবে বাঁধ দেওয়া হয়েছে। ফলে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানান মনজিল মোরসেদ।

তিনি বলেন, সিএস অনুসারে দোয়ানিয়া খালের সীমানা জরিপ করে এবং দখলদারদের তালিকা তৈরি করে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলেছে আদালত। খুলনা জেলা প্রশাসক, সংশ্লিষ্ট উপজেলার ভূমি কর্মকর্তা ও নির্বাহী কর্মকর্তাকে ওই প্রতিবেদন দিতে হবে।