fbcci

দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসু করার ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম বন্দরসহ অন্যান্য সমুদ্রবন্দরগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছে দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।

শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এফবিসিসিআইর স্ট্যান্ডিং কমিটি রিলেটিং টু মিনিস্ট্রি অব শিপিং (মেরিটাইম পোর্ট)-এর এক সভায় বক্তারা এ দাবি করেন।

সভায় বক্তারা বলেন, দেশের দ্রুত অগ্রসরমান উন্নয়ন প্রক্রিয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বন্দরের পণ্য লোড-আনলোড দ্রুতকরণ, গ্যান্ট্রি-ক্রেন ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির সংখ্যা বাড়ানোসহ অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করা দরকার।

একইসঙ্গে দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগকারীদের সহায়তায় সরকার সম্প্রতি জাতীয় সংসদে যে ‘ওয়ানস্টপ সার্ভিস’ বিল পাস করেছে সে প্রক্রিয়ায় নৌ-পরিবহন এবং সমূদ্র পরিবহন সেবায় নিয়োজিত বিভিন্ন পক্ষকে সম্পৃক্ত করার ওপরও গুরুত্ব দেন বক্তারা।

সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন যে, সমুদ্র বন্দরসমূহের অদক্ষতা এবং বন্দর ব্যবহারকারীদের সুষ্ঠু সেবা দিতে না পারায় অনেক ক্ষেত্রেই আমদানি রফতানিকারকদের ব্যবসায়িক খরচ বেড়ে যায়, যার প্রভাব জাতীয় অর্থনীতির উপর পড়ে।

বহু প্রতিক্ষীত পদ্মাসেতু চালু হলে মোংলা ও পায়রা বন্দরের গুরুত্ব অনেক বেড়ে যাবে। সুতরাং ব্যবসা-বাণিজ্যসহ দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে সব বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সেবার মান উন্নয়নে এ কমিটিকে কাজ করতে হবে বলে দাবি করেন তারা।

সভায় কমিটির চেয়ারম্যান ড. পারভেজ সাজ্জাদ আকতারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন স্ট্যান্ডিং কমিটির ডাইরেক্টর ইন-চার্জ ও এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সহ-সভাপতি মাহবুবুল আলম এবং কমিটির কো- চেয়ারম্যান ও সদস্যরা।

এসময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে এফবিসিসিআই পরিচালক হাফেজ হারুণও আলোচনায় অংশ নেয় বলে জানা গেছে।