bangladesh

বাংলাদেশের উইকেট স্বাভাবিকভাবে স্পিনবান্ধব। তাই দলের স্পিনারদের প্রাধান্য দিয়েই ঢাকায় পা রাখে লঙ্কানরা। অভিজ্ঞ রঙ্গনা হেরাথতো আছেনই। দিলরুয়ান পেরেরাও ভোগাতে পারেন যে কোন দলকে। আর তাদের মোকাবেলা করার জন্য টাইগারদেরও যথেষ্ট স্কিল আছে বলে জানালেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তবে মিরপুর টেস্টে লঙ্কানদের বাজি চায়নাম্যান লাকশান সান্দাকান। তার বল টাইগাররা খেলতেই পারবেন না বলে মনে করেন শ্রীলঙ্কা দলের অধিনায়ক দিনেশ চান্দিমাল।

চট্টগ্রাম টেস্টে উইকেট অনেকটাই ব্যাটিং সহায়ক ছিল। সেখানে দুই ইনিংসে বাংলাদেশের পড়া ১৫ উইকেটের ১০টি নিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার তিন স্পিনার হেরাথ, পেরেরা ও সান্দাকান। তাই তাদেরকে সম্মানের চোখেই দেখছেন টাইগাররা। তবে এবার তাদের মোকাবেলার যথেষ্ট প্রস্তুতিও নিয়েছেন বলে জানান টাইগার অধিনায়ক, ‘হ্যাঁ অবশ্যই তাদের প্রতি সম্মান রাখতে হয়। হেরাথ খুব অভিজ্ঞ, দিলরুয়ান খুব ভালো মানের বোলার। তাদের ওইরকম মান আছে দেখেই ব্যাটসম্যানদের (ব্যাটিং পিচেও) ভোগান্তি দিতে পারে। কিন্তু আমার মনে হয় একইসঙ্গে আমাদের ব্যাটসম্যানরাও স্কিলফুল। দিনে দিনে আমাদের ব্যাটিং ইউনিট আরও ভালো হচ্ছে। সেদিক থেকে আমরা আত্মবিশ্বাসী।’

তবে তিন স্পিনারের মধ্যে হেরাথই বাংলাদেশের জন্য মূল হুমকি। আগের টেস্টে একাই নিয়েছেন ৫টি উইকেট। টাইগারদের বিপক্ষে তার সাফল্যও ঈর্ষনীয়। তবে তাকে নিয়ে কোন আলাদা পরিকল্পনা করছে না বাংলাদেশ দল। সব স্পিনারকেই হুমকি মেনে সমান প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান মাহমুদউল্লাহ, ‘আমরা সব বোলারকে সমানভাবে দেখছি। কাউকে নিয়ে আলাদা কিছু না। হেরাথ অনেক অভিজ্ঞ, তার চ্যালেঞ্জ নিতে আমরা তৈরি।’

তবে লঙ্কানরা হেরাথ কিংবা পেরেরাকে নিয়ে রান আটকানোর কাজেই ব্যবহার করবেন বলে জানান দলের অধিনায়ক দিনেশ চান্দিমাল। টাইগারদের উইকেট তুলে নেওয়ার কাজটা সান্দাকানের হাতে সপে দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। বেশ জোর দিয়েই বলেন তার বল খেলতে পারবে না বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। চান্দিমালের ভাষায়, ‘সান্দাকান আমাদের উইকেট টেকিং বোলার। যদি পিচ ভালো হয় তাহলে রঙ্গনা (হেরাথ) ও দিলরুয়ান (পেরেরা) রান বেঁধে রাখার কাজটা করবে। সান্দাকান এই কাজ করতে পারবে না। তাকে আমি আনব উইকেট নেওয়ার জন্য। দলে এটাই তার ভূমিকা। আমরা জানি, বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা তাকে খুব ভালোভাবে খেলতে পারবে না।’