Pornstar Trump main

মার্কিন নির্বাচনের সময়েও প্রেসিডেন্ট পদে লড়াইরত ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নানা যৌন কেলেঙ্কারির তথ্য উঠিয়ে এনেছিল দেশটির সংবাদমাধ্যম। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর সেসব বিষয়ে আর কোনো সংবাদ সামনে না এলেও এক পর্নস্টারের নাম আবারও শোনা যাচ্ছে।

নিউইয়র্ক টাইমস, সিএনএন’সহ একাধিক মার্কিন সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে স্টেফানি ক্লিফোর্ড নামের এক পর্নস্টারের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের গভীর সম্পর্ক ছিল। নীল ছবির জগতের এই তারকার সঙ্গে নাকি তার শারীরিক সম্পর্কও হয়।

স্টেফানি ক্লিফোর্ড পর্ন জগতে ‘‌স্টর্মি ড্যানিয়েলস’‌ নামেও বিখ্যাত। এখন অভিযোগ উঠেছে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচার শুরু হওয়ার পর স্টেফানি যাতে আর ট্রাম্পের বিষয়টি নিয়ে মুখ না খোলেন তা নিশ্চিত করতে পর্নস্টারকে মোটা অংকের অর্থ দেওয়া হয়।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের দাবি স্টেফানিকে মুখ বন্ধ রাখতে ১ লক্ষ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার দেয়া হয়। আর এই লেনদেনের দায়িত্বে ছিলেন ট্রাম্পের ব্যক্তিগত সহকারী মাইকেল কোহেন।

মার্কিন গণমাধ্যমে প্রকাশ, ২০০৬ সালে একটি গল্‌ফ টুর্নামেন্টে ট্রাম্প ও স্টেফানির আলাপ হয়। ট্রাম্পের বয়স তখন ৭১ বছর আর স্টেফানির ৩৮। অভিযোগ আছে, সেখানেই দু’জনে নাকি ঘনিষ্ঠ সময় কাটিয়েছিলেন।

অবশ্য টাকা খেয়ে হোক কিংবা না হোক স্টেফানির কাছে ট্রাম্প বেশ ভদ্র মানুষ! শারীরিক সম্পর্কের কথাও অস্বীকার করেছেন পর্নতারকা। বলেছেন, ‘‌ট্রাম্পের সঙ্গে সেবার আলাপ হয়েছিল ঠিকই, তবে কোনও শারীরিক সম্পর্ক হয়নি।’

টাকা নেয়ার দাবি উড়িয়ে দিয়ে এক বিবৃতিতে স্টেফানি বলেছেন, ‘নিজের কথা বাদই দিলাম, দেশের প্রেসিডেন্ট সম্পর্কে এরকম নিন্দা রটানো একদমই ঠিক নয়।’