Hair+itchy-

শীত মৌসুমে মাথার ত্বক শুষ্ক হতে শুরু করে। ফলে একজিমা, ছত্রাক ও ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ হতে পারে। এসব সমস্যা তেল ব্যবহার করে দূরে রাখা যায়।

রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার বাদ দিয়ে, নারিকেল তেল ব্যবহার করার মাধ্যমে মাথার ত্বকের শুষ্কতা দূর করা যায় বলে বিশেষজ্ঞরা জানান।

ভারতের ‘নানাভাটি সুপার স্পেশালিস্ট’য়ের ত্বক বিশেষজ্ঞ ভানদানা পাঞ্জাবি এবং ‘অ্যাক্টিভ হেলথ’য়ের পুষ্টিবিদ ফারাহ আফ্রিন এইসব সমস্যা এড়িয়ে চলার কিছু উপায় সম্পর্কে পরামর্শ দেন।

* চুল ধোয়ার আধা ঘণ্টা আগে মাথার ত্বকে নারিকেল তেল ব্যবহার করুন। তারপর সালফেট বিহীন মৃদু শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার করে নিন। মাথার ত্বক অতিরিক্ত পরিষ্কার করা থেকে বিরত থাকুন। কেননা এটা চুলের জন্য খারাপ ও মাথার ত্বক শুষ্ক করার জন্য দায়ি।

* রাসায়নিক পরিচর্যা যেমন- চুল কোমল বা রং করা থেকে বিরত থাকুন, এটা মাথার ত্বক শুষ্ক করে ফেলে। চুলকানি বা খুশকির সমস্যা থাকলে ‘অ্যান্টিড্যান্ড্রাফ শ্যাম্পু’ ভালো সমাধান দিতে পারে। এতে চুল পড়াও কমে।

* মাথার ত্বকের শুষ্কতা ও চুল পড়া কমাতে খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ডায়েটে ওমেগা- থ্রি সমৃদ্ধ খাবার যেমন- কাঠবাদাম, আখরোট, তিসি, সূর্যমুখীর বীজ, প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার- ডিম, চর্বিহীন মাংস, মাছ, পনির, টফু, বীজ, আয়রন সমৃদ্ধ খাবার- সবুজ পত্রলসবজি, ফল, ডাল ও অন্যান্য উপাদান রাখুন।

* দুধের তৈরি খাবার চুলের উজ্জ্বলতা ও ঘনভাব বজায় রাখবে যা আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। দুধের পুষ্টি উপাদান যেমন- প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন যা চুলের গভীরের অংশ মেডুলাকে মসৃণ রাখে ফলে চুল উজ্জ্বল দেখায়।

* সুষম খাদ্যাভ্যাস যা সেলেনিয়াম ও জিংক সমৃদ্ধ বাদাম যেমন-কাঠবাদাম, ম্যাকাডেমিয়া এবং আর্গন বীজ ও সেলেনিয়াম চুলের বৃদ্ধি করে। খুশকি কমায়। পাশাপাশি এটা মাথার ত্বকের ফাঙ্গাস ধ্বংস করতে সাহায্য করে।

* পুষ্টির অন্যতম প্রয়োজনীয় উপাদান হল পানি। ঠিক মতো রক্ত চলাচলের জন্য পানি প্রয়োজন। কেননা এটা মাথার ত্বকে পুষ্টি উপাদান পৌঁছাতে ও চুলের ফলিকলস সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। পর্যাপ্ত পানির অভাবে মাথার ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। এছাড়াও চুল ফেটে যায়।