wet

ওজন নিয়ন্ত্রণের কথা ভাবলেই মাথায় আসে কঠোর শরীরচর্চা আর ক্রাশ ডায়েটের কথা। যা অনেককেই অনুপ্রাণিত করার বদলে অলস করে তোলে। ব্যস্ত জীবনে কাজ, এক্সারসাইজ আর ডায়েট একই সঙ্গে মেইনটেইন করা ভীষণ কষ্টকর।

তবে শরীরচর্চা আর কঠোর পরিশ্রম ছাড়াও কিছু ট্রিকসের মাধ্যমেও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

খাবার ধীরে ও চিবিয়ে খান। প্রাচীন শাস্ত্রে আছে, খাবার খেতে ৩২ টি দাতের পূর্ণ ব্যবহার করুন। খাবার ধীরে ও চিবিয়ে খেলে খাদ্যকণা থেকে পুষ্টি নিসৃত হয় দ্রুত। যারা ধীরে চিবিয়ে খান তাদের মস্তিষ্কে পেট ভরে যাওয়ার সংকেতটি পৌছানোর সুযোগ থাকে। কিন্তু যারা দ্রুত ও ঠিকমত না চিবিয়ে খাবার খান তারা প্রতিবারই অতিরিক্ত খেয়ে ফেলেন। ফলাফল ওজন নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

প্রতিবার খাওয়ার কিছুক্ষণ আগে একগ্লাস পানি পান করুন। এই অভ্যাসটি অন্তত তিন মাস মেনে চলুন। তাহলে ফলও পাবেন হাতেনাতে। আর অভ্যাসটিও আয়ত্তে আসবে। খাবার আগে পানি খেলে পেটের কিছু অংশ আগে থেকে ভরা থাকে। তাই খাবার গ্রহণ করা হয় তুলনামূলক কম।

খাওয়ার সময় পূর্ণ মনযোগ আপনার খবারের প্রতি দিন। মোবাইল ফোন ব্যবহার বা টিভি দেখা থেকে নিজেকে বিরত রাখুন এসময়। আপনার খাবারটি উপভোগ করুন। এই অভ্যাসটি আপনাকে তৃপ্তি দেবে, যা বাড়তি খাবারের প্রতি আগ্রহ কমাবে।

খাবারে প্রোটিনের পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। কারণ এটি আপনার মেটাবলিজম বাড়ায়। যা ফ্যাট বার্ন করে দ্রুত। তাই,মাংস,মাছ,ডিম, বাদাম ‌,পনির ও শিম জাতীয় খাবার বেশি খান। আঁশ জাতীয় খাবারও ওজন কমাতে সাহায্য করে।

রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ুন।পরিপূর্ণ ঘুম শরীরকে সজীব রাখে তাতে আপনার যত কাজের চাপই থাকুক না কেন আপনি থাকবেন সতেজ সারাক্ষণ।আর রাত জাগা আমাদের মধ্যে অস্বাস্থ্যকর খাবারের আগ্রহ বাড়ায়।

সপ্তাহে একদিন `চিট ডে ‘পালন করুন। অর্থাৎ ওই দিন আপনি জাঙ্ক ফুড ও মিষ্টি জাতীয় খাবার খেতে পারবেন মন ভরে। কিন্তু বাকি ছয় দিন এসব ভুলেও ছোবেন না।

নিজেকে পুরস্কার দিন। যেমন টানা একসপ্তাহ কোনো স্বাস্থ্যকর অভ্যাস চালিয়ে যেতে পারলে পুরষ্কার হিসেবে পরেরদিন একটা চকোলেট খেতে পারেন। কিন্তু পুরস্কার যেন আবার হিতে বিপরীত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন।