dcc

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হকের মৃত্যুর পর এই সিটিতে কারা প্রার্থী হবেন তা নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চললেও ভোটগ্রহণ নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। উত্তরে নতুন আরো ১৮টি ওয়ার্ড যুক্ত হওয়ায় এবং এখনও সীমানা নির্ধারণ না করায় দেখা দিয়েছে এই জটিলতা। ইসির একাধিক সূত্র জাগো নিউজকে বিষয়টি জানিয়েছে।

সূত্র জানায়, আনিসুল হকের মৃত্যুতে এ সিটির মেয়রপদ শূন্য ঘোষণা করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। ১ ডিসেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করায় আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই সিটিতে মেয়র পদে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠানের আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাই এই জটিলতা দূর করতে কাজ শুরু করেছে ইসি।
নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী এ বিষয়ে মঙ্গলবার বলেন, নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। তাই প্রয়োজনে আইন সংস্কার করে নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে ইসি। তবে এ ব্যাপারে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা লাগবে।

সূত্র জানায়, ঢাকা উত্তরে নতুন ১৮টি ওয়ার্ড যেমন বাড্ডা, ভাটারা, সাতারকুল, বেরাইদ, উত্তরখান দক্ষিণখান, ফায়দাবাদ, নলভোগ, দিয়াবাড়ী, কামারপাড়ার বিভিন্ন মৌজা যুক্ত হয়। নতুন ওয়ার্ডগুলো যুক্ত হওয়ার পর পুরোনো ওয়ার্ডগুলোর কিছুকিছু অংশ নতুন ওয়ার্ডে যুক্ত হয়ে গেছে। সে অনুযায়ী ভোটার তালিকাও প্রণয়ন করা হয়েছে। কিন্তু সীমানা নির্ধারণ করা হয়নি।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে নতুন কোনো ওয়ার্ড যুক্ত হলে কোন প্রক্রিয়ায় সেগুলোতে নির্বাচন হবে এ সংক্রান্ত কোনো বিধান নেই। এছাড়া কত সময়ের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে এটাও বলা নেই। অপরদিকে ঢাকার দুই সিটিতে ভোটের দুই বছর পার হয়েছে। কিন্তু এখন নতুন এসব ওয়ার্ডে সাধারণ নির্বাচন হলে সেগুলোর মেয়াদ কতদিন হবে? তারা কি পাঁচ বছর থাকবেন নাকি এই সিটির মেয়াদ তিন বছরের মতো আছে, সে সময় থাকবেন?

জানা যায়, যদি কোনো ইউনিয়নে নতুন কোনো ওয়ার্ড যুক্ত হয় তাহলে বিধান অনুযায়ী আগের প্রতিনিধির মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নতুন করে সেখানে সাধারণ নির্বাচন করা যাবে না। কিন্তু সিটি কর্পোরেশনের ক্ষেত্রে বিষয়টি উল্লেখ নেই। তাই এ সংক্রান্ত আইন-বিধি সংস্কার করা ছাড়া নির্বাচন করা সম্ভব হবে না।

ইসির সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।