11

প্রতিবন্ধিতায় সাফল্যে পুরস্কার পাচ্ছেন ৯ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। রোববার ২৬তম আন্তর্জাতিক ও ১৯তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবসে এই পুরস্কার দেয়া হবে।

সফল প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ক্যাটাগরিতে তিনজন, প্রতিবন্ধিতা উত্তরণে কাজ করে এমন সফল ব্যক্তি ক্যাটাগরিতে তিনজন ও প্রতিবন্ধিতা উন্নয়নে কাজ করে এমন সফল প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতে তিন প্রতিষ্ঠান এই পুরস্কার পাচ্ছে।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ২৬তম আন্তর্জাতিক ও ১৯তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ এ তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সফল প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পাচ্ছেন বরিশাল জেলার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মো. বদিউল আলম, ঢাকা জেলার প্রতিবন্ধী মহুয়া পাল ও সিরাজগঞ্জ জেলার প্রতিবন্ধী মোছা. ছাবিনা আক্তার।

প্রতিবন্ধিতা উত্তরণে কাজ করে এমন সফল ব্যক্তি ক্যাটাগরিতে মনোনীত হয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আল মামুন সরকার, খুলনার মাহবুবা চৌধুরী ও ময়মনসিংহের অঞ্জন কুমার চিচাম।

প্রতিবন্ধিতা উন্নয়নে কাজ করে এমন সফল প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতে তিন প্রতিষ্ঠান হচ্ছে- ঢাকার সূচনা ফাউন্ডেশন, সিলেটের জিডিএফ এবং লালমনিরহাটের সোসাইটি ফর দ্য ওয়েলফেয়ার অব দ্য ইন্টেলেকচুয়ালি ডিসঅ্যাবল।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রোববার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দিবসের মূল অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত প্রধান অতিথি থাকবেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন।’

নুরুজ্জামান আহমেদ বলেন, ‘প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা আমাদের সমাজের বাইরের কেউ নয়। প্রতিবন্ধিতা কোনো অভিশাপও নয়। এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, যা জীব বৈচিত্রের অংশ। বাংলাদেশে বিগত সময়ে প্রতিবন্ধিতাকে দেখা হত বোঝা স্বরূপ। বর্তমান সরকার এই পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূল ধারায় সম্পৃক্ত করতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।’

সংবাদ সম্মেলনে সমাজকল্যাণ সচিব মো. জিল্লার রহমানসহ মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘ এ বছর বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে ‘সবার জন্য টেকসই ও সমৃদ্ধ সমাজ’। জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে ১৯৯২ সাল থেকে প্রতি বছর ৩ ডিসেম্বর বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস পালিত হয়ে আসছে।