moila

চট্টগ্রামের দুঃখ খ্যাত জলাবদ্ধতা নিরসনে সর্ববৃহৎ প্রকল্পের কাজ শুরু হচ্ছে ডিসেম্বরে। এর অংশ হিসেবে প্রথম দফায় ৭টি খাল উদ্ধার, পরিষ্কার ও পুনঃখননে মাঠে নামবে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে প্রকল্পের অধীনে থাকা আরও ২৯টি খাল উদ্ধার ও পুনঃখননের কাজ এগিয়ে নেবে সংস্থাটি।
‘চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণকল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ শীর্ষক এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ হাজার ৬১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ২০২০ সালের জুনে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে। এই প্রকল্পের অধীনে নগরীর মোট ৩৬টি খাল রয়েছে।

বর্ষাকাল শুরুর আগে অর্থাৎ ২০১৮ সালের এপ্রিল-মে মাসের আগে প্রকল্পটি দৃশ্যমান করতে চায় সিডিএ। এর অংশ হিসেবে প্রথমে ওই সাতটি খাল উদ্ধার ও পুন‍ঃখনন করে ওই সব এলাকার মানুষের দুর্দশা লাঘব করতে চায় সংস্থাটি।

সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেন, ‘নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে বৃহৎ প্রকল্পটি নেয়া হয়েছে। এটি অনেক বড় কাজ। আগামী বর্ষা মৌসুমের আগে নগরীর কিছু কিছু জায়গায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি। জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের ৩৬টি খালের মধ্যে ৭টি খাল উদ্ধার, পরিষ্কার ও পুনঃখনন কাজ ডিসেম্বরে শুরু করবো। এরমধ্যে মহেশ খাল, চাক্তাই খাল, রাজাখালী খাল, হিজড়া খাল, বীর্জা খাল, নোয়া খাল ও ইস্পাহানি খাল।’

প্রথম দফায় এসব খাল দলখমুক্ত ও খননেই জোর দেওয়া হবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘এ শুষ্ক মৌসুমকে আমরা কাজে লাগাতে চাই। ইতিমধ্যে এসব খালের সার্বিক পরিস্থিতি দেখে ডিজাইন ও জরিপ কাজ শেষ হয়েছে। এছাড়া খালের পার্শবর্তী এলাকাগুলোর ড্রেনেজ ব্যবস্থারও উন্নয়ন করা হবে। এরফলে আগামী বর্ষায় চাকতাই, খাতুনগঞ্জ, বকশিরহাট, দেওয়ানবাজার, চকবাজার, পূর্ব ষোলশহর, পূর্ব ষোলকবহর, চান্দগাঁ, সিডিএ আবাসিক, আগ্রাবাদ আবাসিক এলাকার এ ব্লক, কে ব্লক, জে ব্লক এলাকায় জলাবদ্ধতার দৃশ্যমান কিছুটা হলেও পরিবর্তন আসবে।’