inqi

পাওনা দাবিতে আন্দোলনরত দৈনিক ইনকিলাবের চাকরিচ্যুত সাংবাদিক-কর্মচারীদের উপর হামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় ডিআরইউ সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন বাদশা, সাংবাদিক নেতা জোসনা, হাবিব, হুমায়ুন, শামীম চৌধুরীসহ আহত হয়েছেন ১২ জন। এ নিয়ে ঘটনাস্থলে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

প্রতিষ্ঠানটির ভবনের উপর থেকে ও আশেপাশ থেকে বহিরাগতরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। ময়লা-আবর্জনা ও ময়লা পানি ফেলে বহিরাগতরা।

হামলায় এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) ও ডিআরইউ।

ঘটনাস্থল থেকে হামলায় আহত ডিআরইউ সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন বাদশা বলেছেন, ‘বহিরাগতরা সন্ধ্যার পর হঠাৎ হামলা চালায়। তারা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। ময়লা-আবর্জনা ও ময়লা পানি ফেলে। ডিইউজের ব্যানার টেনে ছিঁড়ে ফেলে। হামলায় আমিসহ ১০/১২ জন আহত হয়েছেন। শামীম চৌধুরী গুরুতর আহত হয়েছেন, তাকে ইট ও রড দিয়ে পেটানো হয়েছে।’

তিনি আরো বলেছেন, ‘আমরা এ ঘটনায় মর্মাহত, ক্ষুব্ধ। অবশ্যই এ ঘটনা তীব্র আন্দোলন করা হবে।’ চাকরিচ্যুত সাংবাদিক-কর্মচারীদের বকেয়া পাওনা না দেওয়ার জন্যই এ হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

শাখাওয়াত হোসেন বাদশা বলেন, ‘অন্য সব সাংবাদিক সংগঠনকে জানানো হয়েছে। বিএফইউজে এবং ডিইউজে ও ডিআরইউ নেতৃবৃন্দ আসছেন। ইতোমধ্যে ওমর ফারুক ও সোহেল হায়দার চৌধুরী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছেন।’

এ ব্যাপারে ওয়ারি থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেছেন,‘ঘটনাস্থলে পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত হচ্ছে। কে বা কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ব্যাপারে শাবান মাহমুদসসহ সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে। অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দৈনিক ইনকিলাবের চাকরিচ্যুত সাংবাদিক-কর্মচারীদের বকেয়া পাওনার দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কার্যালয়টি অবরুদ্ধ রেখেছেন সাংবাদিকরা। বিএফইউজে এবং ডিইউজে এ কর্মসূচি আয়োজন করে।