dse_91959

মিচ্যুয়াল ফান্ডসহ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির সংখ্যা ৩৩৩টি। এর মধ্যে ১৯০টি কোম্পানি জুন ক্লোজিংয়ের হওয়ায় কোম্পানিগুলো শেয়ারহোল্ডারদের ডিভিডেন্ড ঘোষণা শুরু করেছে। এই ১৯০টি কোম্পানির মধ্যে ২০টি কোম্পানির প্রতি বিনিয়োগকারীদের বাড়তি আগ্রহ রয়েছে বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। কারণ কোম্পানিগুলো গত বছর শেয়ারহোল্ডারদের ৩০ শতাংশের বেশি ডিভিডেন্ড দিয়েছে।

গত বছরে ৩০ শতাংশের বেশি ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা কোম্পানিগুলো হলো- এসিআই, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, পদ্মা অয়েল, যমুনা অয়েল, রেনেটা, অ্যারামিট, এসিআই ফরমুলেশন, একমি ল্যাবরেটরিজ, এপেক্স ট্যানারি, অ্যারামিট, কনফিডেন্স সিমেন্ট, ইবনে সিনা, জেএমআই সিরিঞ্জ, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি, মবিল যমুনা, ন্যাশনাল টি, অলেম্পিক, রংপুর পাউন্ডারি, স্কয়ার ফার্মা ও স্টাইল ক্রাফট। এপেক্স ট্যানারি ইতোমধ্যে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৪০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূ্ত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

জানা যায়, ৩০ জুন ২০১৬ হিসাব বছরে সর্বোচ্চ ১১৫ শতাংশ ক্যাশ ও ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে এসিআই। সমাপ্ত ২০১৭ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিক শেষে অর্থাৎ বিগত ৯ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় হয়েছে (ইপিএস) ১৬.৬২ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১৩.২০ টাকা।

২০১৬ হিসাব বছর ১০৫ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাতের মেঘনা পেট্রোলিয়াম। সমাপ্ত ২০১৭ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিক শেষে অর্থাৎ বিগত ৯ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় হয়েছে (ইপিএস) ১৪.৩১ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১৩.২৮ টাকা।

২০১৬ হিসাব বছরে পদ্মা অয়েল ১০০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড প্রদান করেছে। সমাপ্ত ২০১৭ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিক শেষে পদ্মা অয়েলের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় হয়েছে (ইপিএস) ১৪.২৯ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১১.৩০ টাকা।

২০১৬ হিসাব বছরে যমুনা অয়েল ১০০ শতাংশ করে ক্যাশ ডিভিডেন্ড প্রদান করেছে। সমাপ্ত ২০১৭ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিক শেষে যমুনা অয়েলের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় হয়েছে (ইপিএস) ১৫.৬৩ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১১.৪২ টাকা।

২০১৬ হিসাব বছরে ৮৫ শতাংশ ক্যাশ ও ১৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল ওষুধ ও রসায়ণ খাতের রেনেটা। সমাপ্ত ২০১৭ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিক শেষে অর্থাৎ বিগত ৯ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় হয়েছে (ইপিএস)৩০.১৯ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২৬.১৩ টাকা।

এছাড়া, ৩০ জুন ২০১৬ হিসাব বছরে অ্যারামিট ৭০ শতাংশ ক্যাশ, এসিআই ফরমুলেশন ৩৫ শতাংশ ক্যাশ, একমি ল্যাবরেটরিজ ৩৫ শতাংশ ক্যাশ, কনফিডেন্স সিমেন্ট ৩৭.৫০ শতাংশ ক্যাশ, ইবনে সিনা ৩৭.৫০ শতাংশ ক্যাশ ও ১৫ শতাংশ স্টক, জেএমআই সিরিঞ্জ ৩৫ শতাংশ ক্যাশ, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি ৭৫ শতাংশ ক্যাশ, ন্যাশনাল টি ৩০ শতাংশ ক্যাশ, অলেম্পিক ৪০ শতাংশ ক্যাশ, রংপুর পাউন্ডারি ৩৫ শতাংশ ক্যাশ, স্কয়ার ফার্মা ৪০ শতাংশ ক্যাশ ও ১০ শতাংশ স্টক ও স্টাইল ক্রাফট ৭৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড বিনিয়োগকারীদের প্রদান করেছে।