In this photo taken Thursday March 23, 2017 Argentina's Lionel Messi argues assistant referee Emerson Augusto de Carvalho during a World Cup qualifying match against Chile in Buenos Aires, Argentina. Messi has been banned from Argentina's next four World Cup qualifiers, starting with Tuesday's game in Bolivia, for "having directed insulting words at an assistant referee" during a home qualifier against Chile on Thursday, FIFA said hours before kickoff in La Paz.(AP Photo/Victor R. Caivano)

মঙ্গলবার রাতের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ মাতান যে দুই মহাতারকা লিওনেল মেসি এবং নেইমার। একই দিনে আবার বিতর্কেও জড়িয়ে পড়লেন দুই সাবেক সতীর্থ। মেসির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে রেফারিকে ধাক্কা মারার। নেইমার আবার কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়লেন বিপক্ষের এক তরুণ ফুটবলারের সঙ্গে।  বড় অপরাধ করেও শুধু হলুদ কার্ডে পার পেয়ে  গেলেন মেসি!

মেসির সঙ্গে ঝামেলার সূত্রপাত তাঁকে ফাউল করা নিয়ে। মিডফিল্ডে মেসিকে ফাউল করেছিলেন য়ুভেন্তাসের মিরালেন পিয়ানিচ। উত্তেজিত মেসি এর পরে রেফারির কাছে ছুটে গিয়ে দাবি করতে থাকেন, কার্ড দেখানো হোক পিয়ানিচকে। রেফারি অবশ্য বার্সেলোনা মহাতারকার অনুরোধ না শুনে ঘুরে হাঁটতে শুরু করে দেন। উত্তেজিত মেসি পিছন থেকে এসে রেফারির ঘাড় ধরেন। এর পরে রেফারি হলুদ কার্ড দেখান মেসিকে। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে প্রশ্ন তুলতে শুরু করে দেন, প্রায় একই ধরনের অপরাধ করে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে যদি পাঁচ ম্যাচ সাসপেন্ড হতে হয়, তা হলে মেসি কী ভাবে বেঁচে গেলেন? ফুটবল বিশেষজ্ঞদেরও কেউ কেউ মনে করছেন, মেসিকে লাল কার্ড দেখানো হলেও অন্যায় হতো না।

ওদিকে, প্যারিস সেন্ট জার্মেই বনাম সেল্টিকের ম্যাচে নেইমারকে বার কয়েক ফাউল করেছিলেন ডিফেন্ডার অ্যান্থনি । এর পর নেইমার এক বার মাটিতে পড়ে গেলে দেখা যায়, অ্যান্থনি  তাঁর দিকে তাকিয়ে হাসছেন। উত্তেজিত নেইমার উঠে এসে সেল্টিক ডিফেন্ডারকে কিছু বলেন। হাত দিয়ে স্কোরবোর্ডের দিকে ইশারাও করেন। ওই সময় পিএসজি ৩-০ গোলে এগিয়ে ছিল। পরে ম্যাচ শেষে অ্যান্থনিরসঙ্গে হাতও মেলাননি নেইমার, জার্সিও বদল করেননি।