image-48307

খুব শিগরিই বলিউডের রূপালী পর্দায় দেখা যাবে হিন্দী ও কলকাতা বাংলা ছবির কিংবদন্তী নায়ক মিঠুন চক্রবর্তীর পালিত কন্যা দিশানী চক্রবর্তীকে। সম্প্রতি ভারতীয় মিডিয়ায় প্রকাশিত খবর থেকে এমনটাই জানা গেছে। সদ্য যৌবনে পা দেয়া দিশানী সিনেমাকেই নিজের ধ্যানজ্ঞান করতে চান। রক্তে যখন অভিনয় তখন বলিউডে তিনি আগামী দিনে লম্বা দৌড়ের ঘোড়া হতে পারেন বলে জোর কানাঘুষা চলছে সিনেপাড়ায়।

অভিনয়কে পেশা হিসাবে পোক্ত করতে সেই মতো নিজেকে প্রস্তুতও করছেন দিশানী। বর্তমানে নিউইয়র্ক ফিল্ম অ্যাকাডেমিতে পড়াশোনা করছেন তিনি। বলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকতে গেলে যে জনসংযোগ রাখতে হবে- তা ঠিকই বুঝে গেছেন মিঠুনকন্যা। ইদানিং সোশ্যাল মিডিয়ায়ও বেশ অ্যাক্টিভ হয়েছেন তিনি। ভারতীয় মিডিয়া বলছে, খুব শিগগিরই পর্দায় দেখা যাবে দিশানীকে।

কিভাবে দিশানী মিঠুনকন্যা হলেন সে গল্পে এবার আসা যাক। অনেক আগের গল্প। কলকাতার একটি ডাস্টবিনের পাশে একটি কন্যা সন্তানকে পড়ে থাকতে দেখতে পান কয়েক জন পথচারী। খবর যায় পুলিশের কাছে। উদ্ধার করা হয় শিশুটিকে। রাখা হয় স্বেচ্ছাসেবী একটি সংগঠনের দায়িত্বে।

 

খবর এসে পৌঁছায় অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর কানেও। মনের মধ্যে কেমন যেন একটা অস্থিরতা খেলে যায়। থাকতে না পেরে সেদিনই ওই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটির সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। ওই শিশুকে দত্তক নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন মিঠুন ও তার স্ত্রী যোগিতা।

শীর্ণকায়, রুগ্ন ওই শিশুটিকে সারারাত কোলে নিয়ে বসে বিভিন্ন আইনি সমস্যা মিটিয়েছিলেন দু’জন। বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। নাম রাখেন দিশানী চক্রবর্তী। মিঠুনের পরিবারে আসার পর থেকেই সকলের প্রিয় হয়ে উঠেছিল ছোট্ট দিশানী। তার বাবার সঙ্গেও দিশানীর দারুণ সম্পর্ক। তিন ভাই মহাক্ষয়, উষ্মে এবং নমশীর তাকে সব সময় আগলে বড় করেছেন। মায়ের স্নেহও পেয়েছেন সব সময়।