food

দীর্ঘ সময় বসে বসে কাজ করা, দৈহিক পরিশ্রম কম হওয়ার কারণে পেটে মেদ জমতে থাকে। ফলে শরীরচর্চার সময় যারা বের করতে পারছেন না, তারা প্রতিদিনকার ডায়েটে কিছু সহজ খাবার যোগ করে কমিয়ে ফেলতে পারেন শরীরের অতিরিক্ত মেদ। আসুন জেনে নেয়া যাক সে রকম কিছু খাবারের তালিকা-

১. দারুচিনি:
দারুচিনি আমাদের নিকট মসলা জাতীয় খাবার হিসেবে পরিচিত। কিন্তু এই মসলা শরীরের লুকোজ এর কাজের গতি ত্বরান্বিত করে। এতে করে আমাদের শরীরের মেদ খুব দ্রুত ঝরে যায়।

২. হলুদ:
ক্রনিক রোগের সময়স দূর করার পাশাপাশি, মানব দেহের অতিরিক্ত মেদ কমাতেও সাহায্য করে হলুদ। তবে কাঁচা হলুদের রাস পান করা এক্ষেত্রে বেশি উপকারী।

৩. টমেটোর রস:
ব্রিটিশ পত্রিকা নিউট্রিশনের এক বিবৃতিতে জানা যায়, একটানা ২০ দিন টমেটোর রস পান করলে অতিরিক্ত ভারী মহিলাদের প্রদাহ কমায়। এতে এডিপোনেটিক নামক প্রোটিন রয়েছে, যা ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে।

৪. সবুজ চা:
হালকা এ পানীয় কেবল শরীরকে সতেজই রাখে না, সঙ্গে ওজন কমানোর ক্ষেত্রেও কার্যকরী ভূমিকা রাখে। সবুজ চায়ে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের প্রাচুর্য পরোক্ষভাবে অতিরিক্ত চর্বি ঝরাতে সাহায্য করে।

৫. পানি:
শরীর থেকে বর্জ্য বের করে দিতে পানির ভূমিকা অসাধারণ। বলা হয়, প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি ওজন হ্রাসে সরাসরি ভূমিকা রাখে। পানি শরীরকে সতেজ রাখে, অযথা ক্ষুধাভাবকে দূর করে। বারবার পানি পান করার ফলে শরীর চাঙাবোধ করে। মেটাবলিজম বৃদ্ধি পায়। তাই ওজন কমানোর অন্যতম আরেকটি জরুরি পদক্ষেপ পানি খাওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়া।

৬. তেতুল:
এক গবেষণায় জানা যায়, তেতুল খেলে ক্ষুধা কমে। আবার শরীরের ফ্যাট কমানোর জন্য সেরোটোনিন নামের এক উপাদান ও এতে বিদ্যামান।

৭. ক্যাপসিকাম:
ক্যাপসিকামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। এই ভিটামিন সি খুব সহজে ও খুব দ্রুত ওজন কমাতে সহায়তা করে। লাল, হলুদ কিংবা সবুজ যেকোনো ধরনের ক্যাপসিকাম খেলে ওজন কমতে বেশ সাহায্য করবে।