popcorn

মুড যেমনই হোক, পপকর্নের সুঘ্রাণ নাকে এলেই মুহুর্ত যেন হয়ে ওঠে ফুর্তিময়। আড্ডায় হালকা খাবার হিসেবে পপকর্ন সবার প্রিয়। আর মুভি, সে তো পপকর্ন ছাড়া ভাবাই যায় না। ডায়েট করতেও পপকর্ন খুবই জনপ্রিয়। ভাবছেন আজ নতুন করে পুরানো কথা কেন বলছি? এর কারণ হলো, সব পপকর্ন স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়।

পপকর্ন কেন খারাপ তার ৩ কারণ :

মাইক্রোওয়েভ পপকর্নের প্যাকেট কোট করা হয় বিষাক্ত ক্যামিকেল দিয়ে। যা গরম করার সময় পপকর্নের গায়ে লেগে যায়। এধরনের বিষাক্ত পদার্থের নিয়মিত গ্রহণ আমাদের শরীরের নানা জটিলতা সহ ক্যান্সারেরও আশঙ্কা বাড়ায়।

মাইক্রোওয়েভ পপকর্নের আরেকটি আকর্ষণ হলো এর সুঘ্রাণ। ওভেনের দরজা খোলা মাত্রই মাখনের যে গন্ধ আপনার জিভে পানি এনে দেয়, তার পেছনে আছে মারাত্মক বিষয়। মাখনের হলুদ আভা ও সুঘ্রাণের জন্য যে পদার্থ মেশানো হয় তা আপনার ফুসফুস ক্ষতি করতে পারে।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মাইক্রোওয়েভ পপকর্নে ব্যবহার করা হয় কৃত্রিম উপায়ে চাষ করা ভুট্টা। এতে করে হজমে আসুবিধা ও এলার্জির আশঙ্কা তো বাড়েই, একই সঙ্গে টিউমার হওয়ারও প্রবণতা দেখা দিতে পারে। এসবের ওপরে যখন রঙ ও ফ্লেভার যোগ করা হয় তখন মাইক্রোওয়েভ পপকর্নের ক্ষতির দিক বেড়ে যায় আরও কয়েকগুণ। দীর্ঘ দিনের মাইক্রোওয়েভ পপকর্ন খাওয়াতে মনে না রাখা, চিন্তা শক্তি কমে যাওয়ার মতো মস্তিষ্কের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তাহলে কি পপকর্ন খাওয়া বাদ?

খাবেন না কেন, তবে মাইক্রোওয়েভ পপকর্ন নয়। বাজার থেকে সাধারণ ভুট্টার প্যাকেট কিনে নিজের হাতে পপকর্ন তৈরি করে খাবেন। জানেন তো চুলায় পপকর্ন তৈরির নিয়ম? খুব সহজ-

কড়াই বা ষ্টীলের হাড়িতে এক মুঠো ভুট্টা নিতে তাতে ছড়িয়ে দিন এক চা চামম ওলিভ ওয়েল বা আধা চামচ মাখন। ঢাকনা উল্টো করে ঢেকে দিন বাতাস বের হওইয়ার জন্য। ছিদ্রযুক্ত ঢাকনা হলে স্বাভাবিক ভাবেই ঢাকুন। দুই মিনিটে তৈরি হয়ে যাবে ক্যামিকেল মুক্ত সুস্বাদু পপকর্ন।