EC

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া সংলাপের মাধ্যমে আসলে অংশীজনের কাছাকাছি যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আর ভোটারদের আস্থা বাড়া ছাড়াও সবার অংশগ্রহনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করছেন তারা।

ঈদের আগে সুশীল সমাজ ও সাংবাদিকদের কয়েকজন প্রতিনিধির সঙ্গে সংলাপ ছাড়াও ৫টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করে ইসি। ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ইসিতে নিবন্ধিত অন্য দলগুলো সঙ্গে সংলাপে বসবে প্রতিষ্ঠানটি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম রোববার ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে  বলেন, সংলাপে অংশ নেয়া সবার মতামতকে গুরুত্ব দিচ্ছি আমরা। এর মাধ্যমে অংশীজনের কাছাকাছি যাচ্ছি। ফলে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথ প্রশস্ত হচ্ছে।

নির্বাচনী কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে ধারাবাহিক সংলাপ শুরু করেছে ইসি। এরপর গণমাধ্যমের কয়েকজন প্রতিনিধির সঙ্গে দুই দিন সংলাপের পর ২৪ আগস্ট থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছে কমিশন।

এ বিষয়ে ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ  বলেন, সংলাপে আমন্ত্রিতরা উৎসাহ-উদ্দীপানার সঙ্গে অংশ নিচ্ছেন। অনেকেই বাস্তবধর্মী ও গঠনমূলক প্রস্তাব দিচ্ছেন। এই প্রস্তাব বা সুপারিশগুলো আমরা ইতিবাচকভাবে নিচ্ছি। আমাদের ভাবনাতেও নতুন নতুন পরিকল্পনা বা সিদ্ধান্ত যোগ হচ্ছে।

সংলাপের কার্যকারিতা সম্পর্কে হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, সংলাপ শুরু হওয়ার পর সামনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলো নিজেরাও কিন্তু প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলের মধ্যে একটা তৎপরতা শুরু হয়েছে। এটা একটা বড় ইতিবাচক দিক।

১০ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় ইসির সঙ্গে বসবে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, বিকেল ৩টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

আর ১২ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বিকেল ৩টায় ইসলামী ঐক্যজোটের সঙ্গে বসবে ইসি। ১৪ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় কল্যাণ পার্টি, বিকেল ৩টায় ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের সঙ্গে সংলাপের তারিখ নির্ধারিত রয়েছে।