hasina

উন্নয়নের যে ধারার কারণে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছে, সে ধারা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার নিজ কার্যালয়ে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে’ অনুদানের চেক গ্রহণের সময় এ আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০১৪ তে পুনরায় ক্ষমতায় আসতে পেরেছি বলেই উন্নয়নের ধারাটা অব্যাহত আছে, যার সুফলটা দেশের মানুষ পাচ্ছে।

“আজকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সারা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। আমাদের এটা ধরে রাখতে হবে, এই অগ্রযাত্রাটা, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা যেন বজায় থাকে।”

এদিন ২৫টি সরকারি, বেসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও কোম্পানি এবং সমিতির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়।

অনুদান দেয়া প্রতিষ্ঠান ও কোম্পানির মধ্যে রয়েছে- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ অ্যামিডিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন, কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, বিকাশ, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস, সৎসঙ্গ বাংলাদেশ ইত্যাদি।

অনুদানের প্রধানমন্ত্রী ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “এই দেশটাকে উন্নয়নের জন্য সবরকম প্রচেষ্টাই আমরা চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের উন্নয়ন নীতিমালার মূল লক্ষ্য হচ্ছে গ্রামের তৃণমূল পর্যায়ের মানুষ। তাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের কথা চিন্তা করেই আমরা উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাজেট প্রণয়ন করি এবং তা বাস্তবায়ন করি।”

সাস্প্রতিক বন্যার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, “মাঝে মাঝে প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসবে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়েই আমাদের বসবাস করতে হবে। আর এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ আমাদের মোকাবেলাও করতে হবে এবং আমরা তা পারি। সেটা আমরা প্রমাণ করেছি।”

এই দুর্যোগে যারা ক্ষতিগ্রস্ত তাদেরকে সহায়তা দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

“যাদের ফসল নষ্ট হয়েছে তাদের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, যাদের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত তাদের আবার ঘরবাড়ি করে দেওয়া থেকে শুরু করে সবরকম সহায়তা করছি। এদেশের কোনো মানুষ গৃহহারা থাকবে না, না খেয়ে থাকবে না।”

বন্যায় ফসল নষ্ট হওয়ায় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য বিদেশ থেকে খাদ্য আমদানি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।